বাসর রাতে যখন পিরিয়ড❤️




ফুলের বিছানায় রক্তের ফোটা দেখে আমি কিছু টা অভাক হলাম।এসব এখানে আসবে কী করে বাসর ঘড়ে এমন একটা জিনিস দেখবো সেটার জন্য আমি কোনো ভাবেই পস্তুত ছিলাম না।বউয়ের দিকে তাকালাম দেখতে পেলাম বউটা আমাকে দেখে কাঁপতেছে বুঝতে পরলাম না কিছুই তবুও আমি বললাম। কী হয়েছে তোমার এমন করতেছো কেনো কোনো সমস্যা।


মেয়েঃ ভয়ে ভয়ে) আ আ আমি ঠিক আছি।


ছেলেঃআমি বললাম যে বিছানায় রক্ত আসলো কী করে এটা শুনে মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে রইলো।


মেয়েঃআমি কী বলবো কিছুই বুঝতেছি না। বাসর রাতে আমার এমন একটা সমস্যা হবে সেটা জন্য আশা করি নী। আসলে


ছেলেঃবলো আসলে কী।


মেয়েঃবিছানায় রক্ত এসেছে কারন আমার একটা সমস্যা হয়েছে তাই। কথা টা আমি অনেটা ভয়ে ভয়ে বললাম তাকে।


ছেলেঃদেখো এই কথাটা তুমি আগে বলবা না। এতোখন এতো কষ্ট সজ্জা করেছো শুদু শুদু।


মেয়েঃআসলে আমার সাহস হচ্চিল না তাই চুপ হয়ে থেকেছিলাম।আপনি এটা কেমন ভাবে নিবেন সেটার জন্য।


ছেলেঃআমি না তোমার জামাই তো আমার কাছে বলতে এতো লজ্জা করে কেনো। যাইহোক তুমি ঠিক আছো।


মেয়েঃহ্যা আমি ঠিক আছি।


ছেলেঃআবাও মিথ্যা তোমাকে দেখে তো মনে হয় না তুমি তো একটুও ঠিক নেই।


মেয়েঃআসলে আমার পেটে প্রচুর ব্যাথা করতেছে শরিলটা অনেকটা ক্যালান্ত।


ছেলেঃআচ্চা আমি একটু আসতেছি।


মেয়েঃকোথায় যাবেন আপনি। বসেন আমার পাশে।


ছেলেঃঠিক আছে বসবো বাট বসার জন্যতো আজ শারা রাত আছে বাট তোমার তো অনেক কষ্ট হইতেছে দাড়াও দেখি তোমার জন্য কী করতে  পারি আমি অন্য রুমে চলে আসি তার  পড়ে ওর জন্য একটা স্যানিটারি প্যাড  নিয়ে আসি।


এই নাও এটা  এটা নিয়ে ওয়াশ রুমে যাও


মেয়েঃআমি তার কাছ থেকে কাপা কাপা হাতে স্যানিটারি প্যাড নিলাম। আমি এটা পেয়ে অনেক খুশি হলাম সে আমার মনে কথা সহজেই বুঝে গেলো। আমি ওয়াশ রুম থেকে ফ্রাস হয়ে আবার ও তার কাছে চলে আসি।


ছেলেঃএখন বলো কেমন লাগতেছে।


মেয়েঃঅনেক টা ভালো লাগতেছে আপনি আগেই যানতেন।


ছেলেঃহ্যা জানতাম একটু শুয়ে পড়ো ঠিক হয়ে যাবে। 


মেয়েঃআমি তার কথা মতো বিছানায় শুয়ে পড়লাম আমি এখনো বাসর রাতে ভয়টা কাটিয়ে উঠতে পারি নী। একেতো আমার শরিল কাপতেছে আর বুকের ভিতরে দূর পূর করতেছে।


ছেলেঃএই শোনো আমার হাটুর উপারে তোমার মাথা রাখো ভালো লাগবে।


মেয়েঃআমি আসতে করে আমার মাথাটা তার হাটুর উপারে রাখলাম। সে আমার দিকে অপলক ভাবে তাকিয়ে আছে আর আমিও। এখন আমার ভয়টা অনেকটা কেটে গেছে ভালো লাগতেছে। 


ছেলেঃএই যে ঘুম আরছে ঘুমাবা তুমি।


মেয়েঃএই না আমার তো ঘুম আসে নী। আমি আপনার দিকে একটু তাকিয়ে থাকি। কথাটা বলে আমার দুহাত দিয়ে মুখটা চেপে দড়লাম ইশ কী লজ্জা লাগতেছে।


ছেলেঃওরে আমার লজ্জাবতী বউরে আমি হঠাৎ ওকে বুকে নিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে দড়লাম ও তো কিছু টা অভাক হলো সাথে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো।


মেয়েঃসে আমাকে জড়িয়ে দড়ার সাথে সাথে বুঝতে পারলাম আমার শরিল এয় ভিতরে কেমন জানি একটা ফিল হচ্চিলো।জীবনে এই প্রথম কোনো একটা ছেলে আমাকে জড়িয়ে দড়লো।


ছেলেঃএই যে তোমাকে জড়িয়ে দড়লাম তাতে কী তোমার কী কোনো সনস্যা হচ্চে না কী।


মেয়েঃএই না আমি কী কোনো কিছু বলেছি আমার তো প্রচুর ভালো লাগতেছে।


ছেলেঃতাই তো এতো ভয় করো কেনো আমাকে।


মেয়েঃকই এখন তো আমার ভয় করতেছে না। 


ছেলেঃতাই,


মেয়েঃআমাকে এমন করে শারা জীবন রাখবেনতো।


ছেলেঃআমি কী বলেছি যে রাখবো না।


মেয়েঃমনে থাকে জানো।আপনাকে আমি বাসর রাতে কিছুই দিতে পারলাম না।


ছেলেঃএটা তোমার দোশ না।আজ বাসর হয় নী অন্য একদিন হবে তুমি কথা বইলো না তো।


মেয়েঃআমি চুপ হয়ে তার দিকে বললাম আমি চুপ হয়ে আছি বাট আমি আর একটা কথা বলবো।


ছেলেঃহুমম বলো তবে তুমি করে বলো আগে।


মেয়েঃনা আজ আপনি আপনি বলি কালকে তুমি করে বলবো।


ছেলেঃওকে এখন বলো কী বলবে।


মেয়েঃআসলে আমি কী আপানার ঠোঁটে একটা কিস করতে পারি আমি না কখনো lip কিস করি নী।


ছেলেঃ এই কথা শুনে অভাক হয়ে আর পারলাম না আমার লজ্জা বতী বউ বলে কী। তবুও আমি বললাম এই কথা তুমি কিস করবে তাতে পারমিশন নেওয়ার কী আছে হুমম।


মেয়েঃতবুও ঠোঁট আপনার। 


ছেলেঃআমার তো কী হয়েছে আমার ঠোঁট উপারে তোমার সব দড়নের অধিকার আছে।


মেয়েঃহুমম সেটা আমি জানি। আমার মুখটা তার মুখের খুব কাছাকাছি নিয়ে আসি। রাখবো তার ঠোঁটে আমার ঠোঁট ভয় তো করতেছে তবুও কিস করতে তো অনেক মন চাচ্ছে। আমি তার ঠোঁট সাথে আমার ঠোঁট লাগিয়ে দিলাম তার পড়ে আসতে আসতে করে ভিতরে নিলাম অনেক খন পড়ে ছাড়লাম। 


ছেলেঃহয়েছে, এখন ঘুমাও ওই তোমার পেটে ব্যাথা কী কমছে।


মেয়েঃহুম আপনার ঠোঁটে কিস করার পড়ে পেটে ব্যাথা একে বাড়েই কমে গেছে।


ছেলেঃপাগল বউ একটা সোহানা আমার বুকের উপারে শুয়ে পড়লো। প্রথমে ভাবছিলাম এই মেয়ে হয়তো অনেকটা ভিতু কিন্তু এখনে দেখতেছি এয় তো আমার চেয়েও অনেক চালাক আর দুষ্ট। আমি আর ও ঘুমিয়ে পড়লাম সকাল বেলা ঘুম ভাংতে না ভাংতে দেখতে পেলাম সোহানা আমার বুকের উপারে শুয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে হঠাৎ আমার গালে একটা কিস করলো আমি সাথে সাথে চোখ খুললাম ও কিছু টা অভাক হলো।


মেয়েঃইয়ে মানে আমি তো তোমাকে আর একটা কিস করেছি তাতেই আমার দিকে এমন করে তাকাতে হবে।


ছেলেঃআমি কী তোমাকে কিছু বলছি তুমি একটা করো না তো ১০ টা করো আমি তো শুদু তোমারই।


মেয়েঃহুমম তাই তো কিস করেছি। নিরব একটা কথা বলবো আমি।


ছেলেঃবলো।


মেয়েঃআমাকে কী তুমি ভালোবাসবে তবে অনেক অনেক ভালোবাসতে পারবে।


ছেলেঃএটা তুমি কী বলো হুম আমি তো তোমাকে অনেক ভালোবাসি। 


মেয়েঃহুমম জানি।এটা বলে আমি উঠে ফ্রেস হতে যাবো এমন সময় সে আমার শাড়ির আচল দড়ে টান দিলো।

কিছু কী বলবে।


ছেলে।কই যাও তুমি একটু সময় আমার বুকের সাথে মিশে যাও না।


মেয়েঃকেনো রাতে তো শারা রাতই ছিলাম।


ছেলেঃএখন থাকলে কী হুমম আসো না তুমি আমার লক্ষী বউ না বলো।


মেয়েঃআমি তার কাছে এসে আবাও তাকে জড়িয়ে দড়লাম।


ছেলেঃতুমি এতো নরম কেনো একে বারে তুলতুলে পুতুল এল মতো।


মেয়েঃতা আমি জানবো কী ভাবে। 


ছেলেঃতোমাকে না দড়তে আমার খুব ভালোলাগে।


মেয়েঃতাই এখন একটু উঠেন ফ্রেস হন তার পড়ে আবারও তো জড়িয়ে দড়ার সময় আছে তাই না।

এটা বলার পড়ে সে আর আমি উঠে পড়লাম দেখতে দেখতে ৫ দিন কেটে গেলো। আমি  নিজে নিজে মাঝে মাঝে ভাবি আমি যে এমন একজন মনের মানুষ পাবো সেটা আমি কোনো দিনও আশা করি নী অনেক ভালোবাসে সে আমাকে। একে বাড়ে আমার মনে সাথে মিলে যাইতেছে এই মানুষ টি। একদিন রাতে বেলা।


ছেলেঃবউ বউ ও বউ। তুমি কী আজ সুস্ত হয়েছো আমার না খুব ইচ্ছে করে।


মেয়েঃজী না সোনা।


ছেলেঃকবে যে তোমাকে আদর করবো। আর আমি নিজেও অনেক আদর পাবো।


মেয়েঃকেনো আমি কী তোমাকে আদর করি না বুঝি।


ছেলেঃ করো তো তবে ওই আদর করতে ইচ্ছে করে।


মেয়েঃআর কয়টা দিন অপেক্ষা করো তার পড়ে।


ছেলেঃআজকেও ওকে জড়িয়ে দড়ে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম। ও আপনাদের আমার পরিচয় টাই তো দেয়া হলো না আমি আবির এই তো ব্যাংকে জব করি। চাকরি পাওয়ার পড়ে আমাদের পরিবার আমাকে বিয়ে করিয়ে দেয় ওর নাম হলো সোহানা। খুব যে সে আমাকে ভালোবাসে যাইহোক ঘুমের কারনে চোখটা পেটে যাচ্চে কালকে ও আমাকে ঘুমাতে দেয়া নী শারা রাত দুষ্টামি করেছে তাই এখন ঘুমাতে হবে কালকে রাতেও ঘুমায় নী তাই আজকে তাড়াতাড়িই আমার সুন্দর বউ ঘুমিয়ে পড়লো না হয় আজও অনেক দুষ্টামি করতো। দেখতে দেখতে আরো দুদিন কেটে গেলো।আজকে ও -আর আমি শুয়ে আছি এমন সময়।


মেয়েঃএই মিষ্টার।আমার না আজ বাসর করতে ইচ্ছে করতেছে।


ছেলেঃতুমি সুস্তা হয়েছো। তুমি তো অসুস্থ। 


মেয়েঃআমি তার কানে কানে মুখটা লাগিয়ে বললাম হ্যা আজ আমি পুরোপুরি সুস্ত।


ছেলেঃএটা তুমি আগে বলবা না কতো দিন আমাকে অপেক্ষা করিয়েছো।


মেয়েঃআর করতে হবে না আসো আমার কাছে। আজ থেকে প্রতিদিনই অনেক  কিছু হবে। 


ছেলেঃআমি ওর কাছে এসে পড়ি তার পড়ে ওর দিকে তাকিয়ে একটা হাসি দিলাম আর ও একটা হাসি দিলো আমি আসতে করে ওর বুকের আঁচল টা শরিয়ে ওর পেটে আমার ঠোঁট টা লাগিয়ে দিলো। তার পড়ে কী হয়েছিলো যানতে চান তা হলে অপেক্ষা করুন আর হ্যা পারলে বন্ধু করে নিবেন তা হলে পড়ের পর্ব ছাড়া সাথে সাথে আপনার কাছে চলে যাবে